শিক্ষনিয় সত্য ঘটনা

শিক্ষনিয় সত্য ঘটনা

.
.
শহরের দিকে যাচ্ছে বাসটি। মহিলা ড্রাইভার। যাত্রা পথে ড্রাইভার দেখতে পান, এক লোক বাসের জন্য হাত নাড়ছে। ড্রাইভার বাস থামালেন। ইয়ং এক ছেলে। বাসে উঠে সিট নিয়ে বসলেন। ছেলেটা ড্রাইভার মেয়েটা কে ধন্যবাদ দিয়ে সিটে বসল। আবার কতটুকু যাওয়ার পর আরেক লোক হাত নাড়াচ্ছে। সাথে অসুস্থ্য কোনো রোগী। ড্রাইভারের মনে দয়া হলো। শহরে যাবে বলে তুলে নিল রোগীকে। কিন্তু বাসে ওঠার সাথে সাথেই রোগী ও সাথের লোক দাড়িয়ে পড়ল।

হাতে পিস্তল। সবার কাছে থেকে সব টাকা ও গয়না ছিনতাই করে নিয়ে নিলো। এবং পিস্তল জিম্মি করে ড্রাইভার মেয়ে কে নামিয়ে নিয়ে গেলো পাশের জংগলে। যেই ছেলে টা রাস্তা থেকে উঠেছিল, সে সব যাত্রীদের বলছে, আপনারা প্রতিবাদ করছেন না কেন। কিন্তু জানের মায়ায় কেউ আগায় না।
শেষে বাধ্য হয়ে ছেলেটা একাই নেমে পড়ে মেয়েটা কে বাঁচাতে। কিন্তু ছেলেটা ওই দুই ডাকাতের হাতে মার খেয়ে মারাত্মক আহত হন। ডাকাতরা মেয়েটা কে রেপ করে ফেলে রেখে চলে যায়। ছেলেটাও আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকে। পরে ড্রাইভার মেয়েটা গাড়িতে উঠে আসে।
আহত ছেলেটা গাড়িতে উঠতে আসে। কিন্তু ড্রাইভার মেয়েটা ছেলেটা কে গাড়ি তে ঊঠতে দেয় না।
ছেলেটা বলে - "আমি তোমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলাম। আর তুমি আমাকে কেন বাসে উঠতে দিবে না" । তবুও ড্রাইভার মেয়ে টা তাকে জোর করে বাস থেকে নামিয়ে দেয় এবং জানালা দিয়ে ছেলের ব্যাগটা ফেলে দেন রাস্তায়।
ড্রাইভার মেয়েটা বাস নিয়ে চলে যায়। ছেলেটা আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকে। পরে আরেকটি গাড়ির সহায়তায় সে শহরে যাওয়ার সুযোগ পায়। কিন্তু ছেলেটা শহরে পৌঁছানোর একটু আগেই তার গাড়ি থামে। কারন সামনে একটা বাস ভয়াবহ দূর্ঘটনার শিকার হয়েছে।ছেলেটা গাড়ি থেকে নেমে দেখল - সে যেই বাসে উঠেছিল, সেই বাস ঘাদে পড়েছে এবং সব যাত্রী ও ড্রাইভার নিহত হয়েছেন।
ছেলেটার আর বুঝতে বাকি রইলো না কেন মেয়েটা তাকে বাস থেকে নামিয়ে দিয়েছিল। মেয়েটা কলংক নিয়ে মারা গেছে ঠিকি, সাথে মেরে রেখে গেছে সব কাপুরুষদের।
#এটা বাস নাম্বার ৪৪ নামের একটা ১০ মিনিটের শর্ট ফিল্মের গল্প বলছিলাম। এই ছোট ফিল্ম ২০০১ সালে ভেনিস ফিল্ম ফেস্টিভালে গ্রান্ড জুরি এওয়ার্ড, ২০০২ সালে ফ্লোরিডা ফিল্ম ফেস্টিভালে জুরি এওয়ার্ড ও অনেক পুরষ্কারে সম্মানিত মুভি। (সিটিডি)
----------->
হ্যাঁ , কিছু কিছু বাংলাদেশী কাপুরুষ আছে,
বিশেষ করে ঢাকায় বিভিন্ন মার্কেটে , মেলায় মেয়েদের শ্লীলতা হানি করে , মেয়েদের sexual harassment করে । এটাও ঠিক , রাস্তায় কিছু কাপুরুষের দল এইসব দেইক্কা মজা নেয় , প্রতিবাদ করে না ।
অথচ , ইতিহাস বলছে , একটি মেয়ের ইজ্জ্বত রক্ষা করার জন্য লক্ষ লক্ষ মুসলিম যুবক প্রাণ দিয়েছিল , দেশ দখল করে জনগণকে মুক্তি দিয়েছিল জালিমদের কাছ থেকে ।
হ্যা , ঐ একটি মেয়ের জন্যে…?
,,,
আফ্রিকার গভর্ণর মুসা বিন নুসাইরের কাছে উপস্থিত হলেন স্পেনের আঞ্চলিক গভর্ণর কাউন্ট জুলিয়ান,
তিনি ফরিয়াদ করে বললেন, স্পেনের জালিম সম্রাট রডারিক তার মেয়ে ফ্লোরিডার সম্ভ্রমহানি করেছে!
তখন মুসা নিজ বিশ্বস্ত সেনাপতি তারিক বিন যিয়াদকে পাঠালেন স্পেন জয় করতে!
,,,,,,
নিষ্ঠুর দেবলের রাজার বর্ণনা দিয়ে গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফের কাছে দেবল (বর্তমান করাচী) থেকে একটি চিঠি পৌছল, যে দেবলের রাজা দাহির মুসলমানদের বণিক কাফেলাকে আটক করে ফেলেছে, আর একটি মেয়ে চিঠিতে লিখল, যে মুসলমানদের তলোয়ারের ধার যদি ভোতা না হয় তাহলে তারা যেনো আমাদের ডাকে সাড়া দেয়!
তখনি হাজ্জাজ আপন জামাতা ও ভ্রাতুষ্পুত্র মুহাম্মদ বিন কাসিমকে পাঠালেন সিন্ধু জয় করতে!
,,,,,
আব্বাসি খলীফা মু'তাসিম বিল্লাহ মসনদে বসে পানি পান করার জন্যে গ্লাস হাতে নিলেন, তখুনি একজন দরবারে এসে বলল, আমীরুল মুমিনীন! সীমান্তে রোমানরা আক্রমণ করেছে, তখন এক হাশেমি বন্দি নারী আর্তনাদ করে বলেছে, মুতাসিম বিল্লাহ! তুমি কোথায়?
তখনি খলীফা হাত থেকে গ্লাস ছুড়ে ফেলেন এবং বলেন, লাব্বাইক!!
সাথে সাথে সৈন্য নিয়ে সীমান্তে ঝাপিয়ে পড়ে রোমানদের সবচেয়ে শক্তিশালী দুর্গ আমুরিয়া দখল করে বন্দিদের উদ্ধার করেন!
,,,,,,,,
স্পেনের শাসক মনসুর আল-হাজিব! একবার খবর পেলেন, সীমান্তের বাহিরে একটি গীর্জায় এক মুসলিম নারী বন্দি!
তখন তিনি সৈন্য নিয়ে সীমান্তে ঝাপিয়ে পড়েন!
এরাই ছিলেন অতীতের মুসলিম শাসক!
,,,,,,,,,,
কিন্তু আজ যখন আবু গারিব থেকে ফাতেমার চিঠি আসে, আমরা নীরব!
আফিয়া সিদ্দীকি চিৎকার করে, আমরা বধির!
আসমা বেলতাজী শহীদ হয়, আমরা অন্ধ!
সাদিয়া মুবীন আমাদেরকে ডাকে, আমরা মুক!
অন্যায়ভাবে ফেলানীকে হত্যা করে ভারতীয় মালাউন পশুরা কাটাতারে ঝুলিয়ে রাখে, আমরা নির্দয়, বোবা, বধির,অন্ধ !
হে যুবক! মজলুম নারীদের আত্মচিৎকার কি তোমার কর্ণকুহরে পৌঁছে না??

Comments

Popular posts from this blog

বউয়ের মাইর

চিলেকোঠার ভালবাসা